নেরোকাকে হারিয়ে আই লিগ জমিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল,এনরিকে আবার নায়ক

 ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান কি এবছরও ঘটবে না? নেরোকা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মুখে ছিল একটাই প্রশ্ন। হতাশার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল লাল হলুদ সমর্থকদের চোখেমুখে। কিন্তু সেই হতাশা ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে বদলে গেল আনন্দে। কারণ, তারকা স্ট্রাইকার এনরিকে হারের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে আনলেন দলের জন্য। যুবভারতীতে নেরোকা এফসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। সেই সঙ্গে শীর্ষে থাকা রিয়েল কাশ্মীরের সঙ্গে কমানো গেল পয়েন্টের ব্যবধানও।


এই ম্যাচে নামার আগে জয়ের ব্যপারে একপ্রকার নিশ্চিতই ছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো। লিগ জয়ের ব্যপারেও যে তিনি আত্মবিশ্বাসী তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি স্পষ্ট বলেন, “চ্যাম্পিয়নশিপ ছাড়া অন্য কিছু ভাবছি না। কোন দল কী করল। দেখছিও না।” স্প্যানিশ কোচ কেন এত আত্মবিশ্বাসী? বোঝা গেল দলের পারফরম্যান্সে। পিছিয়ে পড়েও ইস্টবেঙ্গল বুঝিয়ে দিল এভাবেও ফিরে আসা যায়। তুল্যমূল্যের বিচারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের কাছে পরাস্ত হতে হল নেরোকাকে। ম্যাচের এক্কেবারে গোড়াতেই এগিয়ে গিয়েছিল পাহাড়ি দল। মাত্র ৩ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জিলেটশেন। এরপর প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করে নেরোকা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা কাজে লাগেনি। দ্বিতীয়ার্ধে নেরোকার উপর ক্ষুধার্ত সিংহের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে তাঁরা। ফল মেলে ৬৭ মিনিটে। গোল করে সমতা ফেরান এনরিকে। ৮৬ মিনিটে ফের নেরোকার জালে জড়িয়ে যায় তাঁর দুর্দান্ত হেডারে।

এই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পাওয়ায় ১৪ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে ইস্টবেঙ্গল। প্রথম স্থানে রয়েছে রিয়েল কাশ্মীর। ১৬ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৩২ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানে চেন্নাই সিটি এফসি। ১৪ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট রয়েছে তাদের। ১৬ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে চার্চিল ব্রাদার্স রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এই জয়ের ফলে শীর্ষে থাকা রিয়েল কাশ্মীরের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমল ইস্টবেঙ্গলের।

Post a Comment

0 Comments