‘টাকা ছড়াচ্ছেন দোভাল’, বিতর্কিত মন্তব্যের পরই শ্রীনগরে ঢুকতে বাধা গুলাম নবিকে

কাশ্মীরের প্রথম সারির রাজনৈতিক দলের নেতাদের আগেই গৃহবন্দি করা হয়েছিল। এবার কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলকেও শ্রীনগরে ঢুকতে দিল না প্রশাসন। আটকে দেওয়া হল বর্ষীয়ান কংগ্রেস সাংসদ তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা গুলাম নবি আজাদকে। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে শ্রীনগর যান আজাদ এবং জম্মু ও কাশ্মীর প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি গুলাম আহমেদ মীর। কাশ্মীরের স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল তাদের। তাদের শ্রীনগর বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া যাচ্ছে।



বুধবারই কাশ্মীর যান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। তিনি উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। জঙ্গি অধ্যূষিত সোপিয়ানের রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাঁকে। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন দোভাল। তাদের সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়ে খোশগল্প করতে এবং মধ্যাহ্নভোজন সারতে দেখা যায় তাঁকে। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর স্থানীয় প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়, উপত্যকার পরিস্থিতি একেবারে শান্ত এবং উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়েও বিতর্ক জড়ান আজাদ। শ্রীনগর উড়ে যাওয়া আগে তিনি বলেন, “টাকা ছড়ালে সবাইকেই সঙ্গে পাওয়া যায়।” সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের বিরুদ্ধে কাশ্মীরবাসীর মধ্যে টাকা ছড়ানোর অভিযোগ করেন তিনি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।

৩৭০ ইস্যুতে একের পর এক আত্মঘাতী গোল করে চলেছে কংগ্রেস। সংসদে বিতর্কিত বক্তব্যের পর বৃহস্পতিবার আরও একটি বিতর্কিত মন্তব্য করলেন অধীর চৌধুরি। এদিন অধীর বললেন, কেন্দ্র কাশ্মীরকে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত করেছে। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা এদিন বলেন, “লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন কাশ্মীরবাসীকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বুলেটের মাধ্যমে নয়, বরং তাদের সঙ্গে নিয়ে। কিন্তু, এটা কী হচ্ছে কাশ্মীরে। ইন্টারনেট বন্ধ, মোবাইল যোগাযোগ বন্ধ, অমরনাথ যাত্রা বন্ধ। কাশ্মীর পুরো কনসেনট্রেশন ক্যাম্প হয়ে গিয়েছে।”

Post a Comment

0 Comments