সুহেরের জোড়া গোলে রিয়াল কাশ্মীরকে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে মোহনবাগান

 সেমিফাইনালে গোকুলামের কাছে হেরে ডুরান্ড থেকে ছিটকে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু রিয়াল কাশ্মীরকে হারিয়ে ফুল ফুটল বাগানে। ঘরোয়া লিগে জয়ের মুখ দেখতে না পেলেও ডুরান্ডে জয়ের ধারা বজায় রেখে টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছে গেল কিবু ভিকুনার দল। মরশুমের প্রথম ট্রফি জয়ের থেকে আর মাত্র একধাপ দূরে মোহনবাগান।


অপেক্ষাকৃত দুর্বল রিয়াল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে গোটা নম্বই মিনিটই এগিয়ে ছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। চামোরোর দুর্দান্ত গোলে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় গঙ্গাপারের ক্লাব। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে লোভাডের মাপা ক্রস থেকে ক্রিজোর হেডে গোল করলে নাটকীয়ভাবে খেলায় ফেরে কাশ্মীর। একেবারে যেন ঘণ্টাখানেক আগেই হয়ে যাওয়া ইস্টবেঙ্গল-গোকুলাম ম্যাচের ফ্ল্যাশব্যাক। তবে এ ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেল এক্সট্রা টাইমেই। জোড়া গোল দিয়ে দলকে কাঙ্খিত জয় এনে দিলেন সুহের। ফ্রানের থ্রু থেকে ওয়ান টু ওয়ান সিচুয়েশনে প্রথম গোলটি করেন তিনি। তাঁর দ্বিতীয় গোলের নেপথ্যেও ফ্রান। এদিন ফুটবলারদের মধ্যে দুর্দান্ত বোঝাপড়ার প্রতিফলনই ঘটল স্কোরকার্ডে। তবে গোলের একাধিক সুযোগ নষ্ট না করলে নির্ধারিত সময়েই জিততে পারত হোম ফেভরিটরা।

এদিকে ডুরান্ড কাপকে পুরোপুরি প্রি-সিজন ম্যাচ হিসেবেই দেখছিলেন রিয়াল কাশ্মীর কোচ। তাছাড়া এই টুর্নামেন্টে আসার আগে কোনও প্রস্তুতিরও সুযোগ পাননি তাঁরা। ফলে ধারে ও ভারে এগিয়ে ছিল মোহনবাগানই। এদিন শুরু থেকেই সফরকারী দলকে চাপে রেখেছিলেন ফ্রান, চারোমোরা। তবে বিদেশি তারকাদের পাশাপাশি ভরা যুবভারতীতে নজর কাড়লেন সুহেরও। ফাইনালে গোকুলাম যে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে, তা আন্দাজ করাই যায়। তবে বাগান কোচ হিসেবে প্রথম ট্রফিটি ঘরে তুলতে  ছেড়ে কথা বলবেন না ভিকুনাও।

Post a Comment

0 Comments