কংগ্রেসের পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব, সনিয়া গান্ধির নাম নিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদের অন্যতম দাবিদার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia), এখন সেই পদে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ (Kamal Nath)। মঙ্গলবার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানালেন বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি (Sonia Gandhi )। তাঁকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, “সনিয়াজী, মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। সিদ্ধান্ত নেবে হাইকম্যান্ড, সেটাই গ্রহণযোগ্য হবে”। রাহুল গান্ধির পদত্যাগের পর তিনমাস সঙ্কট চলার পর, কংগ্রেসের অন্তবর্তীকালীন সভানেত্রীর পদের দায়িত্ব নেন সনিয়া গান্ধি। রাহুল গান্ধির পদত্যাগের পর তিনমাস সঙ্কট চলে, তারপর কংগ্রেসের অন্তবর্তীকালীন সভানেত্রীর পদের দায়িত্ব নেন সনিয়া গান্ধি।

বেশ কয়েকমাস ধরেই মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেস পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছেই, তারমধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

রাহুল গান্ধির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, গত বছর মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বড় পদের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।জল্পনা থাকা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসানো হয়নি তাঁকে, এমনকী, উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ বা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিও করা হয়নি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে। মধ্যপ্রদেশে কাউকেই উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয়নি এবং দল ও সরকারের প্রধান পদে রয়েছেন কমল নাথই।

দলের শীর্ষ পদের জন্য দীর্ঘদিনের দাবিদার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। লোকসভা নির্বাচনের আগে, কমল নাথকে মুখ্যমন্ত্রী পদে মেনে নেওয়ার জন্য তাঁক রাজি করান রাহুল গান্ধি এবং তাঁকে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তবে দল পরাজিত হয় এবং রাহুল গান্ধি কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা থেকে পরিস্থিতি আর জটিল আকার ধারণ করে।

এর আগে, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ এবং রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলতকে নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধি, তিনি জানতে পারেন, যে সমম্ত এলাকায় তাঁদের ছেলেরা লড়াই করছেন, সেখানে তাঁরা বেশী নজর দিচ্ছেন।

রাহুল গান্ধি পদত্যাগ করার পরেই, মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন কমল নাথ এবং জানান, যে কারও নাম ঘোষণা করলে, তাঁকে নিয়ে চলতে রাজি তিনি।

লোকসভা নির্বাচনে দলের ফলাফলের পরেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।তাঁর অনুগামীরা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার নামে, পোস্টার এবং হোর্ডিংও লাগান, যদিও তা করা হয় রাহুল গান্ধির অনুপস্থিতিতে, ফলে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো দলে কেউ ছিলেন না।


সোমবার, দিল্লিতে সনিয়া গান্ধির সঙ্গে বৈঠক করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, দলের সভাপতি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার দাবিতে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে পোস্টারে ছেয়ে যায়।

Post a Comment

0 Comments